Loading...

কথায় বলে ‘পিরিতি কাঁঠালের আঠা লাগলে পরে ছাড়ে না…’। শুধু যে কথায় বলে তাই নয় বিয়ে বা প্রেমের ফাঁদে একবার পড়লে তা থেকে বেরোনো নেহাত মুখের কথা নয়। পরিবার-সমাজের বেড়া ডিঙিয়ে নম নম করে ডিভোর্স ফাইল করলেও আইনের গেরোয় বহু ক্ষেত্রেই কালঘাম ছোটাতে হয়। সহজে আর মুক্তি মেলে কই? স্বামীদের ক্ষেত্রে আবার তার পরেও খোরপোশ দিতে হয়।

কিন্তু সবক্ষেত্রে দোষ কি স্বামীদেরই থাকে? কিন্তু আইন শোনে কই?এমনটাই মনে করেন বহু পুরুষ। এবার এর প্রতিবাদে রুখে দাঁড়ালেন মহারাষ্ট্রের ১০০জনেরও বেশী পুরুষ। কিরম প্রতিবাদ জানেন? পিরিতের আঠা ছাড়াতে এক্কেবারে জ্যান্ত স্ত্রীর পিন্ডদান! ভাবা যায়?

বাস্তব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গোদাবরী নদীতে একেবারে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে রীতিমত নিয়ম মেনে জীবিত স্ত্রীদের পিন্ডদান করলেন ১০০জনেরও বেশী পুরুষ। এর কারণ একটাই,নানা ভাবে তারা স্ত্রীদের দ্বারা প্রতারিত হয়েছেন। সহ্য করতে করতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে,তাই বাধ্য হয়েই এই পদক্ষেপ। তারা সরকারকে এবিষয়ে জানাতে চান তাই এই পদক্ষেপ।

বাস্তব ফাউন্ডেশনের অধ্যক্ষ অমিত দেশ পান্ডে জানিয়েছেন,’বিয়ের সময় সাতপাঁকে বাঁধা পড়েন স্বামী-স্ত্রী। সারাজীবন একসঙ্গে থাকার শপথ নেন। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। ডিভোর্স দেওয়ার জন্য কোর্ট-কাছারির ঝামেলার মধ্যে পড়তে হয়। কিন্তু দোষ যারই থাক বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই আইন মহিলাদের পক্ষ নেয়,যার জেরে বিপাকে পড়েন পুরুষেরা’।

পিন্ডদান হিন্দুদের মৃত্যুর পরের একটি অনুষ্ঠান। স্ত্রী’দের প্রতি এতটাই বীতশ্রদ্ধ এই স্বামীকূল শুধু নিজেদের জীবন থেকে নয় একেবারে পৃথিবী থেকেই তাদের স্মৃতি মুঝে ফেলতে চান তারা। বাস্তব ফাউন্ডেশনের তরফে জানানো হয়েছে,এর আগে বারানসিতে তারা এই ধরণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন।

Loading...