Loading...

জিডিপির দৌড়ে ফ্রান্সকে পেছনে ফেলে দিল ভারত। বিশ্বব্যাঙ্কের ২০১৭ সালের একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারত বর্তমানে বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতি।

গত বছর ফ্রান্সের মোট জিডিপি ছিল ২.৫৮ ট্রিলিয়ন ডলার বা ২,৫৮,০০০ লক্ষ কোটি ডলার। সেখানে ভারতে জিডিপি ছিল ২,৫৯,০০০ লক্ষ কোটি ডলার। তবে ভারতের জনসংখ্যা যেখানে ১৩৪ কোটি সেখানে ফ্রান্সের জনসংখ্যা ৬ কোটি ৭০ লক্ষ। ফলে ফরাসিদের মাথা পিছু ভারতীয়দের থেকে প্রায় ২০ গুণ বেশি।

উল্লেখ্য, নোট বাতিলের পর ভারতের অর্থনীতিতে সামান্য হলেও একটা মন্দা ভাব তৈরি হয়েছিল। জিএসটি চালুর পরও সেই একই পরিস্থিতি তৈরি হয়। সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে ভারত। সেন্টার ফর ইকোনমিক্স অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ কনসালটেন্সির দাবি ২০৩২ সাল নাগাদ দুনিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে যাবে ভারত।

প্রসঙ্গত, রবিবার দিল্লিতে নিজের একটি বইপ্রকাশ অনুষ্ঠানে ‘ভারতের অর্থনীতির পেছনের দিকে হাঁটছে’ বলে কড়া সমালোচনা করেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। তিনি বলেন, ‘২০১৪ সালের পর থেকে অর্থনীতিতে উল্টো দিকে হাঁটা শুরু করেছে ভারত। পেছনের দিকে হাঁটার ক্ষেত্রে এই অঞ্চলে দ্বিতীয় নিকৃষ্ট দেশ ভারত। পাকিস্তান ভারতকে নিকৃষ্টতম হওয়া থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছে।’

অমর্ত্য সেনের মন্তব্যের অনেকটাই বিপরীত কথা বলছে বিশ্বব্যাঙ্কের রিপোর্ট। বিশ্বব্যাঙ্কের গ্লেবাল ইকোনমিক প্রসপেক্ট রিপোর্টে ভারতের উন্নতির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে ২০১৮ সালে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি ৭.৩ শতাংশ ও পরবর্তী ২ বছরে ৭.৫ শতাংশ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Loading...