Loading...

নয়াদিল্লি: বোহরা মুসলমান সম্প্রদায়ের মেয়েদের খতনা করার প্রথার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া আবেদনের ওপর ১৬ তারিখ সুপ্রিম কোর্টে শুনানি। এই প্রথা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শীর্ষ আদালত বলেছে, শিশুদের সঙ্গে জোর করে এমন আচরণ পকসো আইন উল্লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হতে পারে। মহিলাদের গোপনাঙ্গ স্পর্শ করাও প্রাথমিকভাবে অন্যায় বলে মন্তব্য করেছে তারা।

মামলাটি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুনীতা তেওয়ারি। তিনি বলেন, এই প্রথা সম্মানের সঙ্গে বাঁচার সাংবিধানিক অধিকার খণ্ডন করছে।

খতনা প্রথা নিয়ে গতকাল কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান জানতে চায় শীর্ষ আদালত। কেন্দ্রের হয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বেণুগোপাল বলেন, ধার্মিক রীতিনীতি পালন করার মৌলিক অধিকারেরও নির্দিষ্ট পরিসীমা আছে। সেই রীতি নৈতিকভাবে ঠিক ও স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর না হওয়া উচিত। সতী প্রথাকে এক সময় বলা হত ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কিন্তু তা বন্ধ করা হয়েছে।

প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চকে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, খতনা প্রথায় শিশুদের বরাবরের মত শারীরিক ক্ষতি হয়। এই প্রথা নিষিদ্ধ করা উচিত। আমেরিকা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ২৭টি আফ্রিকার দেশে খতনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মুসলিমদের হয়ে মামলাটি লড়তে গিয়ে বিশিষ্ট আইনজীবী কংগ্রেসের অভিষেক মনু সিংভি বলেন, খতনা ইসলামের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, এই ধর্মাবলম্বী সব পুরুষের খতনা হয়। জবাবে আদালত প্রশ্ন করে, কোনও ব্যক্তির অঙ্গহানি কী করে, কীভাবে অত্যাবশ্যক ধর্মীয় প্রথা হতে পারে।

Loading...