প্রতীকী ছবি
Loading...

ওয়েব ডেস্কঃ এই গরমে কাঁঠাল খেতে কার না ভালো লাগে? আর বাঙালি মানেই কাঁঠাল আর আম। কিন্তু বাঙালীর এত প্রিয় ফলের সাথেও এবার হল অত্যাচার! হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন অত্যাচার মানে অত্যাচার? একেবারে যৌন অত্যাচার।

চট্টগ্রামের রাত্তারপুল এলাকার মজিদিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার ছাত্র রহমত উল্লাহ পিতা গুড়া মিঞা, যেই কাণ্ড ঘটাল তা শুনে আপনি হতবাক হয়ে যাবেন। গত ৩০শে জুন শনিবার বছর ১৯র এই যুবক মোবাইলে পর্ণ দেখতে দেখতে নিজের যৌন খুদা মিটানর জন্য কাঁঠালকেই সেক্স টয় হিসেবে ব্যাবহার করল।

পাশের বাড়ির হাফিজুলের কাঁঠাল বাগান থেকে প্রথমে কাঁঠাল পারে সে। আর সেই কাঁঠালে ফুটো করে নিজের যৌন খুদা মেটানর চেষ্টা করে। অনেকক্ষণ ধরেই তাঁকে লক্ষ্য করছিল পাড়ার আরেক যুবক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) প্রথমে সে রহমতের কাণ্ডটা বুঝতে পারেনি।

প্রথমে সে ভেবেছিল, হাফিজুলের কাঁঠাল পেরে একাই সাবার করছে রহমত। আর সেই কাঁঠালে ভাগ বসাতে সামনে গেলেই দেখল বিস্ময়কর কাণ্ড! একি, রহমত তো কাঁঠাল কাচ্ছে না, সে তো রিতিমত কাঁঠালে ফুটো করে তাঁর যৌন খুদা মিটাচ্ছে।

এই কাণ্ড দেখে ওই যুবক চেঁচাতে শুরু করে, আর তাঁর চেঁচানতে হাফিজুল আর তাঁর পরিবার চলে আসে বাগানে। তাঁরাও দেখে রিতিমত থ! হাফিজুলের স্ত্রী তো এই কান্ড দেখে একবার অজ্ঞানই হয়ে গেলো। উপস্থিত লোকেরা রহমতের পিতাকে ডেকে সব কথা খুলে বলে।

এবং গায়ের মোড়লের কাছে এর বিচারের জন্য হাফিজুল আবেদন জানায়। হাফিজুল বিচার পেলো। সে কাঁঠালের দাম বাবদ গুড়া মিঞার থেকে ৫০ টাকা নগদ পেলো। কিন্তু কাঁঠাল কি বিচার পেলো? সে তো ধর্ষিতা। এই ঘটনার পর থেকে বাড়ির বাইরে বেড়াতে সাহস পায়না রহমত। বেরালেই তাঁকে সবাই কাঁঠাল রহমত বলে ডাকে।

 

Loading...